অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ছবি: সংগৃহীত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোষামোদ বা ‘তেল মারা’ সংস্কৃতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করে আবারও আলোচনায় এসেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রসিকতার মাধ্যমে এই প্রবণতার সমালোচনা করেন, যা মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কাড়ে।
পোস্টে তিনি মজার ছলে লেখেন, পৃথিবীতে একসময় তেলের মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে, কিন্তু মানুষের তোষামোদ করার অভ্যাস কখনো শেষ হবে না। তার ভাষায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে পরিমাণ ‘তেল মারা’ হয়, তা দিয়ে সহজেই একটি ছোট শহরের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো সম্ভব।
ফারিয়া আরও রসিকতা করে বলেন, যদি বিদ্যুৎ বা জ্বালানি সংকট দেখা দেয়, তবুও বাংলাদেশের মানুষ চিন্তামুক্ত থাকতে পারবে—কারণ অনলাইন মন্তব্য আর তোষামোদের শক্তি দিয়েই সবকিছু সচল রাখা যাবে। পোস্টের শেষদিকে তিনি নাসা-র প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, তারা যদি এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করত, তাহলে নতুন ধরনের শক্তির উৎস আবিষ্কার করা সম্ভব হতো।
অভিনেত্রীর এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে ভক্ত-অনুসারীরাও সমানভাবে সাড়া দিয়েছেন। অনেকে তার কথাকে বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন, আবার কেউ কেউ মজার ছলে নিজেদের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন। কেউ লিখেছেন, এই ‘তেল’ সংস্কৃতি সমাজের এক অদ্ভুত বাস্তবতা, আবার কেউ বলেছেন—এটাই আমাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোষামোদ বা অতিরঞ্জিত প্রশংসার প্রবণতা এখন একটি সাধারণ আচরণে পরিণত হয়েছে। ফারিয়ার এমন ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য সেই বাস্তবতাকেই নতুনভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।
ফারিয়া তেলমারা ফেসবুক
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!