যুক্তরাষ্ট্র   শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬,৮ কার্তিক ১৪৩৩

তুরস্ক

ইস্তাম্বুলে বসছে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০২ PM ৪৭
ইস্তাম্বুলে বসছে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম বৈঠক

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রথম কমিটি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের শীর্ষ পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও সামরিক কর্মকর্তারা। বৈঠকটি হবে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়নের পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর প্রধানদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির বৈঠক ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওগ্লু অংশ নেবেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ফাইয়াদ বিন হামেদ আল-রুয়াইয়ি।

মক্কা চুক্তির আওতায় যৌথ কার্যক্রমকে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেওয়াই এই কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আসন্ন বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং তিন দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমিটির সচিবালয় ও প্রয়োজনীয় কাঠামো কীভাবে গড়ে তোলা হবে, সেই রূপরেখা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও বৈঠকে নির্ধারণের কথা রয়েছে।

গত ৭ আগস্ট মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

চুক্তির মাধ্যমে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারের পাশাপাশি তিন দেশের যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন মেনে শান্তিপূর্ণ সহযোগিতায় আগ্রহী অন্যান্য পক্ষের জন্য ভবিষ্যতে এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!