যুক্তরাষ্ট্র   রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬,৯ কার্তিক ১৪৩৩

জনগণের কল্যাণে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

সবুজ নিশান ডেস্ক

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ PM ৩৭
জনগণের কল্যাণে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। সংগৃহীত ছবি।

সরকারের প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। দেশের মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে জবাবদিহির সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে সরকারের। সরকারি কার্যক্রম নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা হলে তা গ্রহণ করা হবে। কোনো কাজে ভুল থাকলে সেটি চিহ্নিত করে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

তবে সমালোচনার ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মিথ্যা তথ্য বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণার ভিত্তিতে সমালোচনা করা উচিত নয়। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সবার অভিন্ন লক্ষ্য হওয়া উচিত। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সরকারি কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের সেবা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়ন কার্যক্রম কেবল প্রকল্পকেন্দ্রিক না রেখে মাঠপর্যায়ের মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা দরকার।

তিনি সরকারি অবকাঠামোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জোরদার করার পাশাপাশি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

মীর শাহে আলম বলেন, মাঠপর্যায়ে অবকাঠামোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পৃথক তহবিল ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ থাকা দরকার। বড় শহরগুলোতে বর্জ্য ব্যবহার করে জ্বালানি উৎপাদন এবং ছোট পৌরসভা ও উপজেলায় স্বল্প ব্যয়ে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

নিরাপদ পানির সরবরাহ বাড়াতে নদী ও পুকুরের পানি পরিশোধনের উদ্যোগ জোরদার করার কথাও বলেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর মতে, এতে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা ও চাপ কমানো সম্ভব হবে।

আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. জামানুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!