যুক্তরাষ্ট্র   শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬,৮ কার্তিক ১৪৩৩

মিষ্টির পদত্যাগের পর আইনি ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৪ PM ৫৭
মিষ্টির পদত্যাগের পর আইনি ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের ঘটনা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।

পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, শুধু সাংগঠনিক পদক্ষেপের মধ্যে বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি পদক্ষেপ দেখতে জনগণ প্রত্যাশা করে বলেও মন্তব্য করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব সরকারকে নেওয়ার আহ্বানও জানান জামায়াত আমির। এর আগে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন করেও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।

এর কিছু আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। তার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তাঁকে সংসদ সদস্য পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বলা হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং নিশ্চিত করেছিল।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কেন্দ্রটির একাধিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয় এবং চিকিৎসা সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে আসে। তবে তিনি গণমাধ্যমের কাছে ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, একজন সংসদ সদস্যের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ছাড় দেওয়া হবে না।

রাড্ডার ঘটনার পর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, মহানগর উত্তর যুবদল ও মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। একই সময়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ জনকে বহিষ্কারের ঘোষণাও আসে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!