সংগৃহীত ছবি
দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছে থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগম (টিভিকে)। পূর্ব বর্ধমানের ফাগুপুরে রোববার দলটির প্রথম কার্যালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়েছে।
উদ্বোধনী আয়োজনে টিভিকের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য আহ্বায়ক চৈতালি রায় ছাড়াও বিভিন্ন জেলার দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচির বদলে সামাজিক কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
টিভিকে নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, সংগঠন বিস্তারের পাশাপাশি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তামিলনাড়ুর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকেও সংগঠন গড়ে ওঠা রাজ্যগুলোতে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনসম্পর্ক তৈরির নির্দেশনা এসেছে বলে জানিয়েছেন চৈতালি রায়।
পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন নিয়ে চৈতালি রায় জানান, শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হবে। পরে মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা সরাসরি জানার জন্য জনসংযোগ বাড়ানো হবে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে দলের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনে টিভিকে অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দলটি নির্বাচনী রাজনীতিতে যেতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন রাজ্য নেতৃত্ব। কোন নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে, তা সাধারণ মানুষের চাহিদা এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলে জানানো হয়েছে।
ফাগুপুরে কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে পূর্ব বর্ধমানে টিভিকের সাংগঠনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে দলটির নেতারা জানিয়েছেন। সামনে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন বিস্তার এবং সামাজিক কর্মসূচি চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
দলের শীর্ষ নেতা থালাপতি বিজয় পশ্চিমবঙ্গে কবে আসবেন, সেটিও এখনো নির্ধারিত হয়নি। চৈতালি রায়ের ভাষ্য, রাজ্যে টিভিকের সংগঠন শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে পারলে বিজয়ের সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তারিখ বা কর্মসূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
চলচ্চিত্রে দীর্ঘদিনের জনপ্রিয়তার পর সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন বিজয়। তামিলনাড়ুতে টিভিকের সাংগঠনিক বিস্তারের পর এবার অন্য রাজ্যেও দলীয় কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কার্যালয় চালুর মধ্য দিয়ে সেই সম্প্রসারণের নতুন ধাপ শুরু হলো।
দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছে থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগম (টিভিকে)। পূর্ব বর্ধমানের ফাগুপুরে রোববার দলটির প্রথম কার্যালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়েছে।
উদ্বোধনী আয়োজনে টিভিকের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য আহ্বায়ক চৈতালি রায় ছাড়াও বিভিন্ন জেলার দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচির বদলে সামাজিক কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
টিভিকে নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, সংগঠন বিস্তারের পাশাপাশি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তামিলনাড়ুর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকেও সংগঠন গড়ে ওঠা রাজ্যগুলোতে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনসম্পর্ক তৈরির নির্দেশনা এসেছে বলে জানিয়েছেন চৈতালি রায়।
পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন নিয়ে চৈতালি রায় জানান, শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হবে। পরে মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা সরাসরি জানার জন্য জনসংযোগ বাড়ানো হবে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে দলের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনে টিভিকে অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দলটি নির্বাচনী রাজনীতিতে যেতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন রাজ্য নেতৃত্ব। কোন নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে, তা সাধারণ মানুষের চাহিদা এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলে জানানো হয়েছে।
ফাগুপুরে কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে পূর্ব বর্ধমানে টিভিকের সাংগঠনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে দলটির নেতারা জানিয়েছেন। সামনে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন বিস্তার এবং সামাজিক কর্মসূচি চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
দলের শীর্ষ নেতা থালাপতি বিজয় পশ্চিমবঙ্গে কবে আসবেন, সেটিও এখনো নির্ধারিত হয়নি। চৈতালি রায়ের ভাষ্য, রাজ্যে টিভিকের সংগঠন শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে পারলে বিজয়ের সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তারিখ বা কর্মসূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
চলচ্চিত্রে দীর্ঘদিনের জনপ্রিয়তার পর সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন বিজয়। তামিলনাড়ুতে টিভিকের সাংগঠনিক বিস্তারের পর এবার অন্য রাজ্যেও দলীয় কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কার্যালয় চালুর মধ্য দিয়ে সেই সম্প্রসারণের নতুন ধাপ শুরু হলো।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!