গল্পের আলোকে নেয়া প্রতীকী ছবি ।
অরণ্যপুর শহরে এখন একটাই জিনিস মানুষকে আতঙ্কিত করছিল—লাল বেলুন।
বাজারে, স্কুলের গেটে, বাসস্টপে—কোথাও কোথাও হঠাৎ লাল বেলুন দেখা গেলেই মানুষ দূরে সরে যাচ্ছিল।
নাঈম সেই বেলুনগুলোর পেছনের সত্য খুঁজছিল।
সে পুরনো এক দোকানের মালিকের সঙ্গে কথা বলল।
লোকটি কাঁপা গলায় বলল,
“স্যার… সে আসে বিকেলের শেষ আলোতে। বেলুন দেয়… তারপর শিশুরা হাসতে হাসতে তার পেছনে যায়…”
“তার চেহারা কেমন?” নাঈম জিজ্ঞেস করল।
লোকটি থেমে গেল।
“একই মানুষ না স্যার… মনে হয়… প্রতিবার আলাদা কেউ।”
নাঈম চুপ হয়ে গেল।
এটা কোনো সাধারণ অপরাধীর কাজ না।
এটা পরিকল্পিত বিভ্রান্তি।
সেদিন রাতে পুলিশ একটি পুরনো সার্কাস গ্রাউন্ডের খবর পেল।
নাঈম সেখানে গেল।
চারপাশে ভাঙা তাঁবু, মরচে ধরা খাঁচা, আর নীরবতা।
হঠাৎ একটি জায়গায় মাটিতে আঁকা ছিল—
একটা বৃত্ত… আর তার মাঝে একটি লাল বেলুন।
নাঈম হাঁটু গেড়ে বসল।
তার চোখে সন্দেহ আরও গভীর হলো।
এই বেলুন শুধু খেলনা নয়… এটা ইশারা।
ঠিক তখনই দূর থেকে একটা হালকা হাসির শব্দ এল।
“তুমি সত্য খুঁজছো, নাঈম?”
নাঈম ঘুরে দাঁড়াল।
কিন্তু সেখানে কেউ নেই।
শুধু বাতাসে ভাসছে একটা লাল বেলুন…
আর সেটি ধীরে ধীরে আকাশে উঠে যাচ্ছে।
নাঈম বুঝে গেল—খুনি তাকে দেখছে।
সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে।
আর খেলাটা এখন শুরু হয়েছে।
এই রকম গল্প আরও পেতে চাই. এর পরের পর্ব কবে আসবে??
০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৬ PM