যুক্তরাষ্ট্র   রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬,৯ কার্তিক ১৪৩৩

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের আয়োজন, সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তব পদক্ষেপের তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৮ PM ৮৭

পরিবেশ দিবসের আয়োজন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছবি: সবুজ নিশান

পরিবেশ রক্ষায় শুধু সচেতনতা তৈরি নয়, বিদ্যমান আইন, নীতি ও পরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রকৃতি রক্ষায় সরকারের একক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এ জন্য সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সংস্থা, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সেলিব্রেটিং ওয়ার্ল্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড নেচার কনজারভেশন ডে ২০২৬’ শীর্ষক দুই দিনের আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (C3ER) ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির সহযোগিতায় ৮ ও ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী এবং তরুণরা অংশ নেন।

 

পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তবায়ন জরুরি

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন C3ER-এর উপপরিচালক রৌফা খানম। পরে ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন ফর নেচার কনজারভেশন’ শীর্ষক মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন C3ER-এর পরিচালক মো. গোলাম রব্বানী।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়লেও বাস্তব পরিবর্তন আনতে হলে নীতি ও পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

 

প্রকৃতি সংরক্ষণের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবেশ রক্ষাকে শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব হিসেবে দেখলে হবে না। এর সঙ্গে সমাজ, মানুষের জীবনযাত্রা এবং অর্থনীতির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কেমন পৃথিবী রেখে যাওয়া হবে—এ প্রশ্ন সামনে রেখে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সুন্দরবনে ৫ হাজার দেশীয় গাছ এবং উত্তরা দিয়াবাড়ীতে ৬ হাজারের বেশি গাছ লাগানো হয়েছে। তবে শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই পরিবেশ রক্ষা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনেও পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রত্যেক পেশা ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের পরিবেশ রক্ষার কাজে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

জলবায়ু মোকাবিলায় শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন

বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজের (BCAS) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আতিক রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন কোনো একটি দেশ বা অঞ্চলের একক সমস্যা নয়। বিশ্বের এক প্রান্তে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব অন্য প্রান্তের মানুষের জীবনেও পড়তে পারে। তাই এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি জলবায়ু ন্যায্যতার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য তুলনামূলকভাবে কম দায়ী জনগোষ্ঠী ও দেশগুলো অনেক সময় এর ক্ষতির বড় অংশ বহন করে।

অধ্যাপক আতিক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ে দায়িত্বশীল আচরণের পাশাপাশি কার্যকর জলবায়ু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। কোনো পরিকল্পনা সফল করতে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত সক্ষমতা, দায়িত্ব ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা থাকা জরুরি।

 

সচেতনতা থেকে বাস্তব পদক্ষেপে যাওয়ার আহ্বান

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের C3ER-এর অধ্যাপক এমেরিটাস ও উপদেষ্টা আইনুন নিশাত বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশে আইন, নীতি, কৌশল এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের ঘাটতি নেই। মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এসব উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত অনুসরণ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে মানুষ কতটা জানে—এটি এখন আর একমাত্র প্রশ্ন নয়; বরং এসব সমস্যা মোকাবিলায় বাস্তবে কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বনায়ন কর্মসূচির সাফল্য শুধু কতটি গাছ লাগানো হয়েছে, সেই সংখ্যা দিয়ে বিচার না করার আহ্বান জানান আইনুন নিশাত। তাঁর মতে, কোথায় কোন প্রজাতির গাছ লাগানো হচ্ছে এবং পরবর্তী সময়ে গাছগুলো টিকে থাকছে কি না, সেটিও বনায়নের সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

 

পরিবেশ রক্ষায় বাস্তবসম্মত সমাধানের ওপর জোর

দুই দিনের আয়োজনের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শুধু নীতি প্রণয়ন বা সচেতনতা তৈরি যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি বাস্তবায়নযোগ্য ও কার্যকর সমাধান বের করতে হবে।

সরকারের বিভিন্ন পরিবেশগত উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বৃক্ষরোপণ, উপকূলীয় বনায়ন, কার্বন ক্রেডিট, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নদী ও জলাভূমি পুনরুদ্ধার, বনভূমি সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশ ব্যবস্থাপনার কথা বলেন।

বনায়নের ক্ষেত্রে শুধু গাছের সংখ্যা নয়, উপযুক্ত প্রজাতি নির্বাচন ও পরবর্তী পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পরিবেশ ও প্রতিবেশ বিবেচনায় নিয়ে গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

উপকূলীয় এলাকায় বনায়নের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নির্বাচিত এলাকায় দুই কোটি কেওড়া গাছ লাগানোর উদ্যোগের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি বাংলাদেশের কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনা কাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

 

পলিথিনের বিকল্প তৈরির আহ্বান

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে অপ্রয়োজনীয় একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিনের ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য কার্যকর ও সহজলভ্য বিকল্প নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (CSR) অর্থ পরিবেশবান্ধব বিকল্প তৈরিতে ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘তিন আর’—রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল—নীতির প্রয়োগ বাড়ানোর কথা বলেন তিনি।

জৈব বর্জ্য থেকে সার, পশুখাদ্য ও জ্বালানি উৎপাদনের মতো উদ্যোগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ ছাড়া নদী ও জলাভূমি রক্ষায় দূষণের উৎস বন্ধ করা, বনভূমি উদ্ধার ও সংরক্ষণ, পরিবেশগত তথ্য ও পর্যবেক্ষণব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। পরিবেশগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান

পরিবেশ রক্ষার কাজ পরিবার থেকেই শুরু করার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বাড়িতে বর্জ্য আলাদা করা, প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর মতো উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শুধু সচেতনতা নয়—দায়িত্ববোধ, গবেষণা, প্রযুক্তি এবং বাস্তবসম্মত সমাধান প্রয়োজন। সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে এ কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

স্থানীয় সমস্যার স্থানীয় সমাধানের ওপর গুরুত্ব

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফেরহাত আনোয়ার পরিবেশ ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উচ্চ জনঘনত্ব পরিবেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। তবে এই জনঘনত্বকে শুধু চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে সুযোগ হিসেবেও কাজে লাগানো যেতে পারে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে একটি স্বাস্থ্যকর ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের সামনে উদাহরণ তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবন, উপকূলীয় অঞ্চল ও বেঙ্গল ফ্যান সংরক্ষণে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণার মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতার উপযোগী পরিবেশগত সমাধান তৈরির পাশাপাশি সেই জ্ঞান মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান অধ্যাপক ফেরহাত আনোয়ার।

ব্র্যাকের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে আরও কার্যকর যোগাযোগ তৈরি করা সম্ভব।

জলবায়ু পর্যবেক্ষণ, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের সঙ্গে সহযোগিতার পাশাপাশি জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রজতজয়ন্তী সামনে রেখে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে একাডেমিয়া, তরুণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সরকার, উন্নয়ন সংস্থা ও বেসরকারি খাতের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন উপাচার্য।

 

দুই দিনের আয়োজনে থাকছে নানা কর্মসূচি

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত দুই দিনের এ কর্মসূচিতে প্যানেল আলোচনা, পরিবেশ কার্নিভাল, বিভিন্ন ইন্টার‌্যাকটিভ কার্যক্রম, তরুণদের জন্য জলবায়ুবিষয়ক সেশন, প্রদর্শনী এবং জ্ঞান বিনিময় কর্মসূচি রয়েছে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষক, শিক্ষার্থী, তরুণ, নীতিনির্ধারক, বেসরকারি খাত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতা বাড়াতে এ আয়োজন ভূমিকা রাখবে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যের মূল বার্তাও স্পষ্ট—শুধু সচেতনতা নয়, পরিবেশ রক্ষায় এখন প্রয়োজন কার্যকর পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, গবেষণা, প্রযুক্তি এবং সমন্বিত উদ্যোগ।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!