যুক্তরাষ্ট্র   রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬,৯ কার্তিক ১৪৩৩

‘সেকেন্ড হোম’ হতে পারে রাশিয়া: উপ-প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক যুব উৎসবে রাশিয়ার মূল্যবোধ, ভ্রমণ সুবিধা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ তুলে ধরেছেন দিমিত্রি চেরনিশেঙ্কো
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ PM | সর্বশেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ PM ১৯
‘সেকেন্ড হোম’ হতে পারে রাশিয়া: উপ-প্রধানমন্ত্রী

ইকাতেরিনবার্গে আন্তর্জাতিক যুব উৎসব ২০২৬ পরিদর্শনকালে বক্তব্য দেন রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি চেরনিশেঙ্কো। ছবি; সংগৃহীত

রাশিয়াকে সম্মান করেন এবং দেশটির মূল্যবোধ ধারণ করেন—এমন বিদেশিদের জন্য দেশটি ‘সেকেন্ড হোম’ বা দ্বিতীয় আবাস হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি চেরনিশেঙ্কো।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ইকাতেরিনবার্গে চলমান ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’ পরিদর্শনের সময় এক বক্তৃতা পর্বে তিনি এ কথা বলেন। প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে আয়োজিত উৎসবের বিভিন্ন কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন তিনি।

চেরনিশেঙ্কো বলেন, রাশিয়া প্রায় ২০০ জাতিসত্তা ও জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত একটি দেশ। তাঁর বক্তব্যে দেশটির বহুধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের উদাহরণ হিসেবে অর্থোডক্স গির্জা, মসজিদ, বৌদ্ধ মঠ ও ইহুদি উপাসনালয়ের পাশাপাশি অবস্থানের কথা উল্লেখ করা হয়।

রুশ উপ-প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালকে রাশিয়ার জাতিসমূহের ঐক্যবর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দেশটির মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎসবে অংশ নেওয়া তরুণদের সামনে রাশিয়া ভ্রমণের সুযোগের বিষয়টিও তুলে ধরেন চেরনিশেঙ্কো। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে ভ্রমণের জন্য সহজ ও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ই-ভিসা অনলাইনে চার দিনের মধ্যে ইস্যু করা যায় এবং এর মাধ্যমে রাশিয়ায় সর্বোচ্চ ৩০ দিন অবস্থান করা যায়। চীন, সৌদি আরব, ওমান ও মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত ভ্রমণ কর্মসূচি চালুর কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ নিয়েও কথা বলেন উপ-প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটিতে অন্তত পাঁচ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করবে—এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০৩৬ সালের মধ্যে রাশিয়ায় এ ধরনের ৪০টি ক্যাম্পাস গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বাউমান মস্কো স্টেট টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির একটি ক্যাম্পাস চালু হওয়ার পাশাপাশি ইকাতেরিনবার্গেও চলতি বছর একটি ক্যাম্পাস চালু হয়েছে বলে তিনি জানান।

উৎসব পরিদর্শনের সময় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চেরনিশেঙ্কো এবং তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

রাশিয়া দিমিত্রি চেরনিশেঙ্কো আন্তর্জাতিক যুব উৎসব ইকাতেরিনবার্গ রাশিয়ায় ভ্রমণ রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা ই-ভিসা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!