যুক্তরাষ্ট্র   রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬,৯ কার্তিক ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ PM ৬৪
মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বাধীন একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং মেরিন সেনাবাহী উভচর যুদ্ধজাহাজের একটি বহর অঞ্চলটির দিকে রওনা হয়েছে।

নতুন এই বহরে সাত হাজারের বেশি নাবিক এবং প্রায় দুই হাজার মেরিন সেনা রয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৯ হাজার সামরিক সদস্য মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাচ্ছেন। কিছু মার্কিন প্রতিবেদনে সংখ্যাটি সর্বোচ্চ ১০ হাজার হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

থিওডর রুজভেল্টের পাশাপাশি ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপও মোতায়েনের অংশ হিসেবে যাচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করছে। থিওডর রুজভেল্ট সেখানে পৌঁছানোর সময় জর্জ ওয়াশিংটনও অবস্থান করলে একসঙ্গে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী অঞ্চলে থাকবে।

তবে এই তিন রণতরীর উপস্থিতি স্থায়ী হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। জর্জ ওয়াশিংটন পরবর্তীতে তার নিয়মিত দায়িত্বস্থল জাপানের দিকে ফিরে যেতে পারে।

জর্জ ওয়াশিংটনকে মূলত ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছিল। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকার পর আব্রাহাম লিংকনকে অঞ্চলটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

নতুন বহর পৌঁছালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ ও মেরিন সদস্যের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াতে পারে। এর বাইরে স্থল ও বিমানবাহিনীসহ অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েক দশক হাজার সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।

এই সামরিক মোতায়েন এমন সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ইরান সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি খুলে দেওয়া এবং পারমাণবিক আলোচনা শুরু করার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছিল। ট্রাম্প ওই প্রস্তাবকে পর্যাপ্ত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

নতুন রণতরী মোতায়েনের অর্থ সরাসরি নতুন হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র দেয়নি। তবে অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সেনা পাঠানোর ফলে অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!