যুক্তরাষ্ট্র   শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬,৮ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রিকস সম্মেলনের আমন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্পিকার

সবুজ নিশান ডেস্ক

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ PM ৪৭
ব্রিকস সম্মেলনের আমন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্পিকার

ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কূটনৈতিকভাবে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর ক্ষেত্রে যথাযথ কূটনৈতিক মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

সোমবার সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন স্পিকার। সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ এখনো ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য নয়। দেশটির অংশীদার রাষ্ট্র হওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে ব্রিকসে যোগদানের বিষয়ে সরকারের সামগ্রিক নীতিগত অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন স্পিকার। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে দেশটির প্রতি গভীর অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

তবে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষে বাংলাদেশ—এ কথাও স্পষ্ট করেন হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তাঁর মতে, দুই দেশের সম্পর্ক কোনো ধরনের আধিপত্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও কথা বলেন স্পিকার। তিনি জানান, সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। সরকার ও বিরোধী দল সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে কার্যকর ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারলে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন এবং সংবিধান সংশোধনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।

এই সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের দুঃশাসন ও বঞ্চনা থেকে স্থায়ীভাবে বেরিয়ে আসতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার।

স্পিকার

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!