যুক্তরাষ্ট্র   শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬,৮ কার্তিক ১৪৩৩

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারের প্রয়োজন নেই: জামায়াত আমির

সবুজ নিশান ডেস্ক

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩১ PM ৫৮
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারের প্রয়োজন নেই: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সংগৃহীত ছবি

জনগণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর ভাষ্য, মানুষ যদি শান্তিতে ঘুমাতে না পারে এবং নিরাপত্তাহীনতায় থাকে, তাহলে এমন সরকারের প্রয়োজন নেই।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দলটির সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা, স্থানীয় বাসিন্দা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে শুধু আইনশৃঙ্খলা ও শাস্তির ব্যবস্থা দুর্বল হয়নি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও কার্যত ভেঙে পড়েছে। রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, দিনের পাশাপাশি রাতেও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে।

রাজধানীর পরিস্থিতিকে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সরকারের কেন্দ্রীয় অবস্থান যেহেতু রাজধানীতে, তাই ঢাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেই দেশের সামগ্রিক চিত্র সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

সম্প্রতি একটি মেডিকেল সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রসঙ্গও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, ওই ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ পর্দার আড়াল থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজনকে জনগণের চোখে ধুলো দেওয়ার উদ্দেশ্যে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করানো হলেও তাঁকে এখনো দল থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। এমনকি তাঁকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। একই ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন জামায়াত আমির।

জনগণকে কোনোভাবেই অবুঝ বা অন্ধ মনে না করার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন তথ্য গোপন করে রাখার সুযোগ নেই। প্রযুক্তির এই সময়ে কোনো ঘটনা মুহূর্তের মধ্যেই মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এবং জনগণ নিজেরাই সবকিছু দেখতে ও বুঝতে পারে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!