গ্যাসের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে সিএনজি চালকদের বিক্ষোভ। সংগৃহীত ছবি
গ্যাসের সরবরাহ সংকটের প্রতিবাদ ও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবিতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার সদরের লিংকরোড এলাকায় ফয়েজ পেট্রোল পাম্পের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।
অবরোধ চলাকালে চালকদের ‘গ্যাস দে, নইলে সড়ক বন্ধ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন ওই সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও দূরপাল্লার পরিবহনের যাত্রীরা।
বিক্ষোভকারী চালকদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় নিয়মিত অটোরিকশা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। গ্যাস নেওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় প্রয়োজনীয় পরিমাণ জ্বালানি মিলছে না। ফলে আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনেও ব্যাঘাত ঘটছে।
চালক আশরাফ মিয়া বলেন, ‘গ্যাসের সংকটের কারণে নিয়মিত গাড়ি চালাতে পারছি না। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এতে আমাদের আয় কমে গেছে, সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’
আরেক চালক শাহ আলম বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আমাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। আমরা দ্রুত সমস্যার সমাধান চাই। গ্যাস না পেলে গাড়ি চালিয়ে কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করব সেটাই এখন বড় চিন্তার বিষয়।’
চালকরা জানান, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না হলে তারা আন্দোলনের পরিধি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
স্থানীয় যাত্রী লায়লা আক্তার বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে চালকদের সমস্যার পাশাপাশি সড়কে যান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।
এদিকে ফয়েজ পেট্রোল পাম্পের এক বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, সরবরাহ কম থাকায় চাহিদা অনুযায়ী সিএনজি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক গাড়ি গ্যাস নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে সংকট অনেকটাই কমে আসবে।
শাহেদ নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, ‘আমরাও চাই চালকদের চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস দিতে। কিন্তু সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় আমাদের পক্ষে বেশি গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!