যুক্তরাষ্ট্র   মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬,১৮ কার্তিক ১৪৩৩

অস্ত্রের মুখে পরিবারকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৮ AM | সর্বশেষ আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ PM ১২৪
অস্ত্রের মুখে পরিবারকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

বরিশালের বাবুগঞ্জে অস্ত্রের মুখে পরিবারকে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনায় তদন্ত করছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় গভীর রাতে একটি নির্মাণাধীন বসতবাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে মা ও শিশুকন্যাকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯ জুলাই দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া নতুনচর এলাকার সুমন হাওলাদারের নির্মাণাধীন বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা বাড়ির ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে।

ওই সময় সুমন হাওলাদারের স্ত্রী রুমা আক্তার তার আট বছর বয়সী মেয়ে সামিয়া আক্তারকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। রুমা আক্তার জানান, তার স্বামী চাকরির কারণে ঢাকায় থাকেন। রাতে মেয়ের ডাকে ঘুম থেকে উঠে ঘরের ভেতরে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে দেখতে পান। চিৎকার করার চেষ্টা করলে একজন তার গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে এবং শিশুকন্যাকে হত্যার হুমকি দেয়।

এরপর ডাকাতরা ঘরের সিন্দুকের চাবি নিয়ে ভেতরে থাকা নগদ ৭৫ হাজার টাকা এবং প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক চৌকিদার বলেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে। কার্যকর পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।

স্থানীয় সমাজসেবক সরোয়ার শরীফ ও আবদুল হাকিমের মতে, এলাকায় মাদক কারবার ও অপরাধপ্রবণতার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। তারা বলেন, চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া গেলে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ডাকাতির খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!